এবার বাংলাদেশকে দেয়ার পালা : মাতলুব আহমেদ


Published: 2016-12-11 09:58:50 BdST, Updated: 2017-09-20 07:59:43 BdST

matlubসদা হাসি-খুশি সদালাপী নির্মোহ মানুষ আব্দুল মাতলুব আহমেদ। নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ায়রম্যন। বর্তমানে এই কোম্পানিটিতে ১ হাজার ৫০০-এর ওপরে মানুষ কর্মরত। বাংলাদেশে টাটার কান্ট্রি ডিস্ট্রিবিউটর। রাজশাহী চেম্বারের পরিচালক ও দেশের শীর্ষ শিল্পপতি মাতলুব আহমেদ ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ১৯৫২ সালে জন্মগ্রহণ করা মাতলুব আহমেদ দেশের ব্যবসায়ীদের পার্লামেন্ট হিসেবে পরিচিত ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) পরবর্তী পরিচালক মনোনীত হওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছেন। গত ১২ এপ্রিল উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে তিনি এফবিসিসিআই নির্বাচনে পরিচালক পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আগামী ২৩ মে এই পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার সঙ্গে ব্যবসা, এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচনসহ বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেছেন আমাদের প্রতিবেদক মরিয়ম সেঁজুতি। নিচে তার নির্বাচিত অংশ প্রতিবেদন আকারে তুলে ধরা হলো

এফবিসিসিআই সভাপতি পদে প্রচারণার অংশ হিসেবে দেশব্যাপী ক্যাম্পেইনে গিয়েছি, যাচ্ছি। সোমবার নির্বাচনী প্রচারণা এবং মাজার জিয়ারত করতে সিলেট যাচ্ছি। ব্যবসায়ীরা তাদের চাওয়া-পাওয়া জানিয়েছেন। সুদের হার নিয়ে ছোট-বড় সব ব্যবসায়ীর উদ্বেগ রয়েছে। আশপাশের অনেক দেশের চাইতে আমাদের সুদের হার অনেক বেশি। ভারত, মায়ানমার, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে সুদের হার অনেক কম।

নিটল-নিলয় গ্রুপের কার্যালয়ে দেয়া সাক্ষাৎকারে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি, শিল্পে গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ, পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলাপচারিতায় এসব কথা জানিয়েছেন গ্রুপের চেয়ারম্যান মাতলুব আহমেদ।

তিনি জানান, প্যানেলের প্রধান সেøাগান উন্নয়ন। ব্যবসায়ীদের উন্নয়ন, দেশের উন্নয়ন, বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়ন করতে চান। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে জীবনের দুই বছর ব্যবসায়ীদের জন্য সময় দেব। ইতোমধ্যেই আমার প্রতিষ্ঠান থেকে দুই বছর ছুটি নিয়েছি। আমি একা কিছুই করতে পারব না। টিমের সবাইকে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। দায়িত্বের প্রতি কমিটমেন্ট না থাকলে মূল্য থাকে না। তাই আমাদের কমিটমেন্ট রক্ষা করতে হবে।

এফবিসিসিআই সভাপতি পদে প্রার্থী হতে আগ্রহের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে এফবিসিসিআই। এটি একটি বড় প্লাটফর্ম। যা দেশের ব্যবসায়ী সমাজকে অনেক কিছু দেয়। ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে সরকারের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে সম্মান ও মর্যাদার সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে এ সংগঠন। এখানে যারা প্রার্থী হন তাদের সবারই মানসিকতা থাকে ব্যবসায়ীদের সেবা করা। আমার উদ্দেশ্যও তাই। ব্যবসা-বাণিজ্যে চার দশকের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে এগিয়ে নিতে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। একজন ব্যক্তি মাতলুব আহমেদ হয়ে যেটা আমি করতে পারি, এফবিসিসিআই সভাপতি হয়ে ব্যবসায়ী সমাজকে তার চেয়ে বেশি দিতে পারব। আমি চেষ্টা করে যাব, যদি ব্যবসায়ী ভাইয়েরা আমাকে ওখানে চান। দুবছরে অনেক নতুন কিছু উপহার দিতে পারব বলে মনে করি। মতলুব আহমেদ বলেন, এফবিসিসিআইর ১৫৪টি কমিটি এবং সহকারী কমিটি রয়েছে। এসব কমিটি ছাড়াও ৫২ জন পরিচালক রয়েছেন, এদের সবাইকে নিয়েই আমরা নতুন এফবিসিসিআই গড়ে তুলব। নির্বাচিত হলে পরিচালকদের এফবিসিসিআইয়ের কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখার উদ্যোগ নেয়া হবে। এর অংশ হিসেবে এফবিসিসিআই অফিসে পরিচালকদের আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হবে।

প্রার্থীরা নির্বাচনের আগে এক, পরে আরেকÑ আপনার এ বিষয়ে মন্তব্য কী জানতে চাইলে মাতলুব আহমেদ বলেন, যাদের জীবনে চাওয়া-পাওয়ার হিসাব থাকে তাদের বিষয়টা ভিন্ন। আমি সারা জীবন নিজের জন্য আয় করেছি। এখন আমার আর চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। আল্লাহ যা দিয়েছে তা খাবার লোক নেই। এখন আমার বাংলাদেশকে দেয়ার পালা। এফবিসিসিআইয়ের সভাপতির দায়িত্ব পেলে আমার ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা সব ব্যবসায়ীর সঙ্গে শেয়ার করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি হাজার হাজার শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা আমার নির্বচানের অঙ্গীকার। এ ছাড়া আমি নির্বাচিত হলে আমার জীবনের দুই বছর ব্যবসায়ীদের জন্য বিলিয়ে দেব। সাড়ে তিন কোটি ব্যবসায়ীর মনের কথা, সমস্যার কথা শুনব। তাদের সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব। শুধু বড় বড় ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধান করবেন, না পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দিকেও নজর দেবেন এমন প্রশ্নে মাতলুব আহমেদ জানান, একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আমার কাছে সবার গুরুত্ব সমান। কেউ হঠাৎ করেই বড় হতে পারে না। বেশির ভাগ মানুষই ছোট ব্যবসা থেকে ওপরে ওঠে। আর দেশের ব্যাংকগুলো বড় বড় ব্যবসায়ীদের ঋণ দেয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে। অথচ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা দিনের পর দিন ব্যাংকে ঘুরেও ঋণ পায় না। দেশের সার্বিক উন্নয়নে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অপরিসীম। তাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাপকভাবে ঋণ দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। তিনি উদাহরণ টেনে বলেন থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে।

দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে মাতলুব আহমেদ বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতেই হবে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, সম্প্রতি বিদ্যুতের উৎপাদন বেড়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় শিল্প-কারখানায় নতুন সংযোগের বিষয়েও সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা রয়েছে। নির্বাচিত হলে নতুন কারখানার জন্য বিদ্যুতের অগ্রাধিকার কোটা চাইবেন বলে জানান তিনি। ভারতে ব্যবসা সম্প্রসারণে নিজের উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন, অতীতে বাংলাদেশের পণ্যে অনেক বেশি কর নির্ধারিত ছিল। কর কমাতে ভারত সরকারের কাছে বিভিন্ন সময়ে কোটা চাওয়ার ফলে বর্তমানে সব পণ্যের শুল্ক উঠিয়ে দিয়েছে ভারত। এর ধারাবাহিকতায় ভারতের বিনিয়োগ নিয়ে আসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান মাতলুব আহমেদ।

তিনি বলেন, ভারতের শিল্প এখানে নিয়ে আসা হবে। ডাবর, সান ফার্মার মতো প্রতিষ্ঠানের পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে ভারতে। এসব প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করে পণ্য উৎপাদন করে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে রপ্তানি করবে। আবার ভারত শুল্কমুক্ত সুবিধা না পেলেও বাংলাদেশ পায় এমন ৪০টি দেশে রপ্তানিও হবে এসব পণ্য।

ব্যবসাবান্ধব আব্দুল মাতলুব আহমেদ ব্যবসার যাত্রার স্মৃতিচারণ করে বলেন, নিটল-নিলয় গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮২ সালে এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানের মূল ব্যবসা হচ্ছে মোটরগাড়ি। মোটরগাড়ি আমদানি থেকে শুরু করে, অ্যাসেম্বল করা, সার্ভিস দেয়া, বিক্রি করা, এ খাতে অর্থায়ন ইত্যাদি মোটরগাড়ি-সংক্রান্ত প্রায় যাবতীয় কাজের সঙ্গেই এই প্রতিষ্ঠান জড়িত। এ ছাড়া আমাদের অন্যান্য শিল্প রয়েছে যেমনÑ সিমেন্টশিল্প, চিনিশিল্প, কাগজশিল্প ইত্যাদি। শিল্পের বাইরে আমাদের লিজ ফাইন্যান্স কোম্পানি এবং ইনস্যুরেন্স কোম্পানি রয়েছে। মোটামুটি নিটল-নিলয় গ্রুপ বর্তমানে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার একটি প্রতিষ্ঠান। নিটল-নিলয় গ্রুপে এখন প্রায় ১০ থেকে ১২টি কোম্পানি রয়েছে এবং প্রায় ৭ হাজার অফিসার এসব কোম্পানিতে কর্মরত রয়েছেন। এ ছাড়া বর্তমানে আমাদের দুটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একটি হচ্ছে নিটল-নিলয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স যার একটি হবে ছাতকে এবং অন্যটি কিশোরগঞ্জে। সেখানে প্রায় ৩৫টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রুপ থাকবে যেগুলো প্রধানত চায়না এবং বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে জয়েন্ট-ভেনচার হবে। আমরা আশা করছি দুটি ভেন্যুতেই ১.৫ বিলিয়ন ডলার করে বিনিয়োগ করা হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্পর্কে আব্দুল মাতলুব আহমেদ বলেন, আমার মতে আমাদের অর্থনীতি এখনো ভালো অবস্থায় আছে। একটু লক্ষ করলে দেখবেন যে আমাদের গাড়ি বিক্রি আগের চেয়ে ভালো হচ্ছে, গাড়ি বিক্রি আগের চেয়ে বেড়েছে, আরো হাই-রাইজ বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, রাস্তাঘাটের পরিমাণ বাড়ছে। এর থেকে আমরা বুঝতে পারছি যে দেশের অর্থনীতির অবস্থা যথেষ্ট ভালো। তবে আমি মনে করি আমাদের অর্থনীতি একটি টানাপড়েনের মধ্যে আছে। এখানে মনে রাখতে হবে যে আমাদের সিংহভাগ টাকা কিন্তু রপ্তানি থেকে আসে। যারা আমাদের প্রধান ক্রেতা যেমনÑ আমেরিকা, ইউরোপ, কানাডা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা বর্তমানে যথেষ্ট খারাপ। তারপরও তারা আমাদের কাপড় কিনছে, কেননা দাম এবং মানের দিক থেকে আমাদের কাপড় যথেষ্ট ভালো।

সরকারের অভিন্ন পদ্ধতির ভ্যাট আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে মাতলুব আহমেদ বলেন, অভিন্ন পদ্ধতির ভ্যাট আদায়ের বিষয়ে বলতে চাই আমি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ভ্যাট দাতাদের মধ্যে একজন। আইনের বিষয়ে আমার মতামত হলোÑ আমি অভিন্ন ভ্যাট পদ্ধতির পক্ষে। তবে অভিন্ন পদ্ধতিতে ভ্যাট ১৫ শতাংশ হবে না, এটি হতে হবে ৪ শতাংশের মধ্যে। তাহলে চুরি করার প্রবণতা কমে যাবে এবং আমরা সরকারকে সবাই ভ্যাট দেব। ফলে এখন যে ভ্যাট সরকার পাচ্ছে, তার চাইতে বেশি পাবে।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সুনাম রয়েছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে এলসি জটিলতায় ক্রেতাদের সঙ্গে সমস্যা দেখা দেয়। বিদেশিদের সঙ্গে কোনো ভাঁওতাবাজি করা যায় না। শতভাগ সততা নিশ্চিত করতে হয়। আমাদের ব্যবসায়ীরা ভালো কাজ করতে চান, কিন্তু মাঝে মধ্যে কারো কারো এদিক-ওদিক করার প্রবণতা থাকে। বিদেশি ক্রেতাদের স্বার্থ দেখলে ওরাও মানসম্মত মনোভাব দেখায়। তখন এক সঙ্গে ব্যবসা করেও আনন্দ পাওয়া যায়।

দেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিষয়ে মাতলুব আহমেদ বলেন, যারা পুঁজিবাজার বোঝেন, যারা কাজ করেন, তাদের এগিয়ে আসতে হবে। পুঁজিবাজারে যাদের স্বার্থের হানি হচ্ছে, তারা যদি দলগতভাবে আমার কাছে আসেন, তাদের সমস্যা তুলে ধরেন, নিশ্চই এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে কিছু করার থাকলে করবে। এ জন্য পুঁজিবাজারের বিষয়ে আমি আগাম কিছু বলতে চাই না।

বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট স্বাধীনভাবে চলে। যে কোম্পানি ভালো, তার শেয়ার বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। অথচ বাংলাদেশের মার্কেটে অনেক সময়ই এর ব্যতিক্রম ঘটে। ফলে বোঝাই যায় এখানে কিছু কারসাজি হচ্ছে। আমি নির্বাচিত হলে যারা শেয়ার ব্যবসা বোঝে তাদের নিয়ে একটা সাবকমিটি করব। এ সাবকমিটি সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জের সঙ্গে কাজ করবে। যাতে এমন অনৈতিক কাজ কেউ করতে না পারে সেদিকে লক্ষ রাখবে। আমি মনে করি সরকার যদি আরো কঠোর হয়, বিএসইসি যদি আরো তীক্ষ্ম দৃষ্টি রাখে আর এফবিসিসিআই যদি তাদের সাহায্য করে তবে এ সমস্যা সমাধান হবে।

আরেকটি বিষয়, যারা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করেছেন তাদের উচিত আজকে যে টাকাটা বিনিয়োগের পর ক্ষতির মধ্যে আছে সেটা সেভাবেই রেখে দেয়া এবং নতুন টাকা দিয়ে এমনভাবে ব্যবসা করা উচিত যাতে করে সে টাকাটা যদি কমেও যায় তাদের যাতে জীবনে সমস্যা না হয়। শেয়ার ব্যবসায়ে লাভও হতে পারে আবার ক্ষতিও হতে পারে। ব্যাংকে গচ্ছিত স্থায়ী আমানতের মতো শেয়ার বাজারে নিশ্চিত লাভের কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই যারা শেয়ার ব্যবসা ভালোভাবে বোঝেন এবং লাভ-ক্ষতি দুটোর জন্যই মানসিকভাবে প্রস্তুত আছেন শুধুমাত্র তাদেরই উচিত শেয়ার বাজারে আসা। যারা বিগত দিনে অর্থ বিনিয়োগ করে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তাদের ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করা উচিত; একদিন না একদিন হয়তো তারা তাদের মূলধন ফেরত পেতে পারেন।

নিলয়-নিটল গ্রুপের সিএসআর সম্পর্কে মাতলুব আহমেদ জানান, সিএসআর কার্যক্রমের ব্যাপারে আমাদের আলাদা বিভাগ রয়েছে এবং সেখান থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে এতিমখানা তৈরি থেকে শুরু করে শিক্ষা, খেলাধুলা ইত্যাদি ক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করছি। সিএসআর কার্যক্রম বর্তমানে একটি কর্পোরেট বডির অবশ্যকরণীয় কাজের মধ্যে পড়ে এবং সে হিসাবে আমাদের প্রতিষ্ঠানও বিভিন্ন সেবামূলক কাজ হাতে নিয়েছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

সম্পাদক: টুটুল রহমান

সম্পাদকীয় কার্যালয়: ৭/বি ওয়াপদা গলি, দক্ষিণ মুগদা , ঢাকা-১২১৯, বাংলাদেশ। ই-মেইল: tutulrahman219@gmail.com; যোগাযোগ: +88 01977 242272

সম্পাদক: টুটুল রহমান


সম্পাদকীয় কার্যালয়: ৭/বি ওয়াপদা গলি, দক্ষিণ মুগদা , ঢাকা-১২১৯, বাংলাদেশ। ই-মেইল: tutulrahman219@gmail.com; যোগাযোগ: +88 01977 242272

Developed by: DATA ENVELOPE